Thursday, April 25, 2019
উত্তে’জক ট্যাবলেটের থেকেও বেশি কার্যকর এই ৫টি খাবার উত্তে’জক ট্যাবলেটের থেকেও বেশি কার্যকর এই ৫টি খাবার
নজীবনে উদ্দীপনা আনতে ভায়াগ্রায় সাহায্য নেন অনেকেই। বর্তমান জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে যৌনজীবনে শিথিলতা আসছে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যদি থাকে এমন কিছু খাবার যার মধ্যে রয়েছে জিনসিনোসাইড; তবে আপনার ফিরে আসতে পারে যৌনজীবনের উদ্দীপনা। জেনে নিন এ জাতীয় ৫টি ভেষজ খাবারের কথা:হিং: ন্যাচরাল রেমেডিস ফর গুড হেলথ’বইতে লিখেছেন, যদি টানা ৪০ দিন ধরে রোজ ০.০৬ গ্রাম হিং খাওয়া যায় তাহলে পেতে পারেন সুস্থ যৌনজীবন।
রান্নায় মেশাতে পারেন হিং। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস জলে এক চিমটি হিং ফেলে খেলেও পাবেন উপকারিতা।সজনে ডাঁটা: আমেরিকান জার্নাল অফ নিউরোসায়েন্স জানাচ্ছে পুরুষদের লিঙ্গ উত্থানের সমস্যা বা উদ্দীপনার ঘাটতিতে খুব ভাল কাজ করে সজনে ডাঁটা। প্রতিদিনের ডায়েট রাখতে পারেন সজনে ডাঁটা। অথবা এক গ্লাস দুধে সজনে ফুল, নুন ও গোলমরিচ মিশিয়ে প্রতিদিন খেলেও উপকার পাবেন।
জিরা: জিরার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম ও জিঙ্ক যৌনাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে বাড়ে যৌন উদ্দীপনা। জানাচ্ছে জার্নাল অফ দ্য সায়েন্স অফ ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার। প্রতিদিন এক কাপ গরম চায়ে জিরা ফেলে খান।
যে ৫ খাবার ‘ভেষজ ভায়াগ্রা’
আদা: বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদার উপকারিতার কথা আমাদের সকলেরই জানা। সুস্থ যৌনজীবন বজায় রাখতেও অপরিহার্য্য হতে পারে আদা। আদার মধ্যে থাকা ভোলাটাইল অয়েল স্নায়ুর উত্তেজনা বাড়ায় ও রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা ঠিক রাখে। প্রতিদিন একটি সেদ্ধ ডিমের সঙ্গে আদার রস ও মধু খেতে পারেন।
রসুন: আফ্রিকান হেলথ সায়েন্সস জানাচ্ছে আদার মতোই উপকারী রসুন। রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে রসুন। ফলে প্রতিদিনের ডায়েটে যদি রসুন থাকে তবে কমতে পারে লিঙ্গ উত্থানের সমস্যা।
Monday, April 22, 2019
শুধু তোমার জন্য
কতবার যে আমি তোমোকে স্পর্শ করতে গিয়ে
গুটিয়ে নিয়েছি হাত-সে কথা ঈশ্বর জানেন।
তোমাকে ভালোবাসার কথা বলতে গিয়েও
কতবার যে আমি সে কথা বলিনি
সে কথা আমার ঈশ্বর জানেন।
তোমার হাতের মৃদু কড়ানাড়ার শব্দ শুনে জেগে উঠবার জন্য
দরোজার সঙ্গে চুম্বকের মতো আমি গেঁথে রেখেছিলাম
আমার কর্ণযুগল; তুমি এসে আমাকে ডেকে বলবেঃ
‘এই ওঠো,
আমি, আ…মি…।‘
আর অমি এ-কী শুনলাম
এমত উল্লাসে নিজেকে নিক্ষেপ করবো তোমার উদ্দেশ্যে
কতবার যে এরকম একটি দৃশ্যের কথা আমি মনে মনে
কল্পনা করেছি, সে-কথা আমার ঈশ্বর জানেন।
আমার চুল পেকেছে তোমার জন্য,
আমার গায়ে জ্বর এসেছে তোমার জন্য,
আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য।
তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে,
আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য
Sunday, April 21, 2019
তুমি ভালো থাকো
তুমি দূরে থাকো
ততটুকু দূরে
যে দূরত্বে হয়ে যাবে ম্লান
তোমার আমার সম্পর্ক ।
যে দূরত্বে আমার কাল্পনিক হাত,
তোমায় আলতো করে ছুঁয়ে দিতে পারে না ।
থাকো বহুদূরে,
যে দূরত্বে আমার বেসুরো গান
তোমার কান শুনবে না ।
থাকো তুমি দূরে,
যে দূরত্বে আমার আর্তনাদ
তোমার করুণা খুঁজে পায় না ।
আরো দূরে থাকো,
যে দূরত্বে আমার ভালোবাসা
তোমায় শিহরিত করবে না ।
তুমি দূরে থাকো
যে দূরত্বে আমার ছায়াও
তোমায় মাঁড়াতে হবে না ।
তুমি ভালো থাকো
ততটুকু ভালো,
যতটুকু খারাপ থাকতে আমি পারি ।
দোষ
জানি তোমার কিচ্ছু মনে নেই ।
তোমাকে যেদিন প্রথম দেখেছিলাম ,
সেদিনই ভালো লেগেছিলো ।
তুমিও না করনি ।
বরং বেঁধেছিলে আমায় ভালোবাসার মায়াজালে ।
আজ তুমি আমার কাছ থেকে অনেক দূরে ।
একবারো কি জানতে ইচ্ছে করে না,
কেমন আছি আমি তুমি বিহনে ?
কিভাবে ভুলে গেলে এতো সহজে ?
আমি তো ভুলতে পারি না ।
তুমি পারলে আমি কেনো পারি না ?
কেনো পারি না তোমায় একটুকু করতে ঘৃণা ?
জানো, তোমায় একটা প্রশ্ন করতে খুব ইচ্ছে করে ,
কী দোষ ছিলো আমার ?
কী দোষ ছিলো আমার ভালোবাসার ?
না বলা কথাগুলি
জীবনের অনেকগুলো সময় পার করে এখানে এসে দাড়িয়েছি ।
…
আজ হঠাত্ বুকের ভেতর কী যেনো একটা একটা দুঃখ অনুভব করছি …
দুঃখের কারণটা খুঁজেও পাচ্ছি না…
হ্যাঁ …বুঝতে পেরেছি … জীবনের বাজে কিছু মুহূর্ত হঠাত্ মনে পড়ছে…যেগুলো কখনো কাউকেই শেয়ার করি নি … করতে পারি নি….কারণটা এটাই …
সময়টা ঠিক এখন থেকে বছরখানেক আগের ….আমি,…খুবই সাধারণ একটা ছেলে …ভয়ংকর চুপচাপ আর গম্ভীর … আমার জীবনটা ছিলো আরো সাধারণ…
পড়ালেখা মোটামুটি করতাম…এলাকার একটা কোচিংয়ে পড়তাম…ভালোই ছিলাম…
……..
দিনটা ছিলো জানুয়ারী মাসের একটা দিন … ঘটনার শুরু এখান থেকেই… আমার খারাপ মুহূর্তগুলোর শুরু হয় আর দশটা ছেলের মতোই…হঠাত্ একদিন কোচিংয়ে একটি মেয়ে ভর্তি হয় … আমি ওর নাম জানতাম না … জানার কোনো ইচ্ছাও ছিলো না…একদিন দুইদিন করে সময় কাটছিলো … কিন্তু আমার মধ্যে একটা পরিবর্তন আসছিলো সেটা আমি বুঝতেই পারছিলাম না … আমি এখনো জানি না তখন আমার কী হয়েছিলো…হ্যাঁ.. মেয়েটাকে যতই দেখছিলাম ততোই মুগ্ধ হচ্ছিলাম…আমার সব ফ্রেন্ডরাই বলতো আমি মেয়েটাকে লাইক করি…আমিও হয়তোবা বাসতাম.. আমার এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হতো কেনোনা আমি জানতাম না আমি ওর যোগ্য কিনা… কিন্তু আমি ওর দিকে তাকাতাম , ও আমার দিকে তাকাতো… ওকে কিছু বলার মতো সাহস আমার ছিলো না… সারাদিন ভাবতাম…এভাবেই আমার সময় যাচ্ছিলো…ও নিজেও সবই বুঝতে পেরেছিলো…কিন্তু ও কিছুই বলতো না…
তারপর আসে ফেব্রুয়ারী ১৪ তারিখ…..ভেবেছিলাম আজই ওকে সব বলবো …
বিকেলে কোচিংয়ে গেলাম অনেক আগেই…..কিন্তু ও আসলো অনেক দেরিতে…
যা হওয়ার তাই হলো…আমার সাহস হলো না… হৃদয়ের একটা অংশ বলছিলো কিছু না বলে ভালোই করছো…কিন্তু আরেক অংল বলছিলো ঠিক তার উল্টো ….
শেষমেষ পরের অংশই জয়লাম করলো…
তারপর দিন আমাদের কোচিংয়ের একটা মেয়ে গিয়ে ওকে সব বলে দিলো…
ও কিছুটা ভাববার সময়ও নিলো না …
সরাসরি না করে দিলো….
কিন্তু কী মনে করে ও আমার আমার বন্ধুর ফেবু আইডি আমার এক বন্ধুর কাছে চাইলো…
তারপর …
রাতে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট…
আমি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না…
শুধুই ওকে এক্সেপ্ট করলাম…এরপর ওর আর আমার মধ্যে শুধুই ফ্রেন্ড এর মতো সম্পর্ক হলো…তখন আমি ফেবুতে নতুন…একমাত্র আমিই জানি ওর একটা মেসেজের জন্যে আমি প্রতিদিন কীভাবে অপেক্ষা করতাম…
আমার তখন মনে হতো ও আমাকে কিছুটা হলোও ভালোবাসে… কিন্তু না…
একদিন ওর এক ফ্রেন্ড আমাকে সরাসরি বলে দিলো আমি ওর যোগ্য নই…কিন্তু কেনো সেটা বললো না…আমি জানতেও চাই নি… আর সহ্য করতে পারলাম না… নিজেক মারাত্নক অপরাধু মনে হতে লাগলো…আমার সেদিনের কষ্টটা কাউকে বুঝানো অসম্ব…
তারপর….
একদিন ও আমাকে ব্লক করে দিলো…
এখানেই সব শেষ…
আমি সেদিন থেকে আর কখনোই ওর সাথে যোগাযোগ করি নি,করতে চাইও নি….
কোচিংয়ে আসাও একদিন বন্ধ করে দিলো…
তারপর….
সময় তার নিজের গতিতেই চলতে থাকলো…একদিন ও আমাকে আনব্লক করলো… কিন্তু ততদিনে ওর প্রতি আমার ভালোবাসা তার বিপরীত রুপ পেয়েছে…কিছুই করলাম না…
কেনো না ওই দিন থেক আমি ওর কথা মনে না করার প্রতিজ্ঞা করছিলাম…
এখন আমি বিশ্বাস করি আমি ওকে ঘৃণা করি…কিন্তু…
কিন্তু এখনো ওর চেহারা আমার এই মনে ভেসে থাকে…আমি চাই না…তারপরো…
নিজেকে অনেক আগেই বদলে নিয়েছি…এতটুকু বলতে পারি আমি আর তখনকার সেই ছেলেটি নেই…কিন্তু এতকিছুর পরো ওর কথা কেউ আমাকে বললে আমার সেদিনগুলোর কথা মনে পড়ে…
আমি ওকে ঘৃণা করি,একথা বলতে আমার কষ্ট হয় না…কিন্তু আমি ওকে ভালোবাসি না , একথা বলতে আমার খুব কষ্ট হয়…
আমি আসলে কি চাই ??-এই প্রশ্ন অনেকদিন আমায় তাড়া করে আসছে…কিন্তু এর উত্তর এখনো আমি জানি না…
ইংরেজি সাল থেকে বাংলা সন বের করার নিয়ম
ইংরেজী সন থেকে 593 বিয়োগ করলে বাংলা সন পাওয়া যাবে। তাহলে ১৯৭১সালটি বাংলায় (১৯৭১-৫৯৩) সন ছিলো বা ১৩৭৭ সন ছিলো। অথবা ইংরেজী সনের জোড়া সংখা থেকে ৬ বিয়োগ ও যোগ করেও বের করা যায়। ১৯৭১=(১৯-৬)(৭১+৬)=(১৩)(৭৭)=১৩৭৭
ধরুন ২০১৫ সনটি বাংলায় কত সন সেটি কিভাবে বের করবোঃ
২০১৫ সংখাটিতে ২০ ও ১৫ থেকে ২০-৬=১৪ এবং ১৫+৬=২১ তাহলে ১৪২১ সন হয়।
এখন ইংরেজী তারিখ থেকে বাংলা তারিখ বের করবেন কিভাবে? যে কোন ইংরেজী তারিখ ও সন থেকে ৫৯৩ বছর ৩ মাস ১৩ দিন বিয়োগ করুন, দেখবেন বাংলা তারিখ পেয়ে গেছেন। যেমনঃ ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী বাংলা তারিখ ছিল-
সন-মাস-তারিখ
১৯৫২-০২-২১
(-)৫৯৩-০৩-১৩
─────────
উঃ১৩৫৮-১১-০৮ (বিয়োগফল)
শুধু সন বের করার জন্য ১৯৫২=(১৯-৬)(৫২+৬) =১৩৫৮ পদ্ধতিটি মনে রাখলেই হবে। অর্থাৎ, ভাষা দিবসের বাংলা তারিখটি ছিলো ১৩৫৮ সালের ৮ই ফাল্গুন। অনুরূপভাবে যেকোন ইংরেজী সনের বাংলা আপনি সহজেই জানতে পারবেন। এবার বাংলা মাসের নাম ও তারিখ জানার পালা।
বাংলা ১ লা বৈশাখ সবসময় ইংরেজি এপ্রিল মাসের ১৪ তারিখে শুরু হয় এবং অন্যান্য মাস গুলো ইংরেজি মাসের ১৩-১৬ তারিখের মধ্যে হয়ে থাকে। ১৯৯৬ সালের পর থেকে এপ্রিল মাসের ১৪ তারিখকে বাংলা ১লা বৈশাখ হিসাবে উদযাপন করা হয়।
বাংলা বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র এই পাঁচ মাস ৩১ দিনের হয় আর বাকি সব মাস ৩০ দিনের হয়। এবার জেনে নিন ইংরেজি মাসের কত তারিখে বাংলা মাস শুরু হয়। ইংরেজি মাসের ১৩ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে বাংলা মাসের শুরু হয়।
যেহেতু ইংরেজি ১৩-১৬ তারিখের মধ্যে বাংলা সব মাসের শুরুর দিন থাকে । আমাদের বাংলা মাসের কোড শুরু হয়েছে ইংরেজি এপ্রিল মাস থেকে। এপ্রিলের ১৪ তারিখ ১ বৈশাখ। মাসের নাম বের হয়ে গেলে তারিখ বের করার জন্য নিচের নিয়মটি মনে রাখুন। তারিখ থেকে মাসের কোড বাদ দিন সাথে ১ যোগ করুন।
২৮-১৪= ১৪+১ =১৫ বৈশাখ। তাহলে ২০১৪ সালের ২৮ এপ্রিল হল ১৫ বৈশাখ ১৪২১ বঙ্গাব্দ রোজ সোমবার। আশা করি বুঝবার পারছেন। এবার নিজেকে যাচাই করুন নিচের তারিখটির সমাধান বের করে কাজী নজরুল ইসলামের জম্ম ১৮৯৯ সালের ২৫ মে জন্ম গ্রহণ করেন। আপনাদেরকে বলতে হবে এই বছর কাজী নজরুল ইসলামের কত তম জন্মদিন, বাংলা কোন মাসের কত তারিখ ও কি বার। বিঃ দ্রঃ ফেব্রুয়ারির ৩০ তারিখ কিংবা জুনের ৩১ তারিখ কি বার। এপ্রিল, জুন, সেপ্টেম্বর, নবেম্বর এই চার মাস কখনো ৩১শা হয় না। অপর পক্ষে ফেব্রুয়ারি কখনো ৩০শা হয় না। খেয়াল রাখবেন কিন্তু। যেমন ২১/০২/১৯৫২ ইংরেজি তারিখ টি বাংলায় কত তারিখ ছিল-
১৯৫২ বছর ২ মাস ২১ দিন
(-) ৫৯৩ ।। ৩ ।। ১৩ ।।
—————————————–
= ১৩৫৮ ।। ১১ ।। ০৮ ।।
৮ ই ফাল্গুন ১৩৫৮ সাল ।
খুব সরল হিসাব। ৯৬৩ হিজরি সনে, অর্থাৎ ৯৬৩ বাংলা সনে ১৫৫৬ খ্রিস্টীয় সন ছিল। ১৫৫৬ – ৯৬৩= ৫৯৩। পার্থক্য ৫৯৩ বছরের। অর্থাৎ এখনো খ্রিস্টীয় এবং বাংলা সনের মধ্যে পার্থক্য ৫৯৩ বছর।
পূর্বে ইংরেজি সনের মতো বাংলা সনে কোনো লিপ-ইয়ার ছিল না। ১৯৬৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে বাংলা একাডেমীর তত্ত্বাবধানে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে একটি বঙ্গাব্দ সংস্কার কমিটি গঠিত হয়। উক্ত কমিটি চার বছর পরপর চৈত্র মাস ৩০ দিনের পরিবর্তে ৩১ দিনে গণনা করার পরামর্শ দেয়।
Friday, April 19, 2019
কষ্টের চাদর বাংলা গানের লিরিক্স
কষ্ট নামের এক চাদর বুনেছ তুমি
ছলনার সুতো দিয়ে আমার বুকে
সেই চাদরই হোক প্রেমের কাফন
সেই চাদরই হোক প্রেমের কাফন
বুকের পাজরে দাও কবর তাকে
পারো যদি মনটাকে
অনুভুতিহীন করে দাওনা
একটু করুনা করে
দু’চোখের আলো কেড়ে নাওনা
চাইবোনা তোমাকে
দেখবোনা তোমাকে
জানব বড় সুখি আমি নিজেকে
অনুভুতিহীন করে দাওনা
একটু করুনা করে
দু’চোখের আলো কেড়ে নাওনা
চাইবোনা তোমাকে
দেখবোনা তোমাকে
জানব বড় সুখি আমি নিজেকে
দিলে এত যন্ত্রনা
তবুও পারিনা দোষি ভাবতে
নি: স্ব করেছ তবুও
পারিনা স্মৃতিটুকু ভুলতে
মন ভেঙে দিয়েছ
সুখ কেড়ে নিয়েছ
অন্ধ হৃদয় তবু খোঁজে তোমাকে
তবুও পারিনা দোষি ভাবতে
নি: স্ব করেছ তবুও
পারিনা স্মৃতিটুকু ভুলতে
মন ভেঙে দিয়েছ
সুখ কেড়ে নিয়েছ
অন্ধ হৃদয় তবু খোঁজে তোমাকে
Thursday, April 18, 2019
স্বপ্ন গুলো
আমার স্বপ্নগুলো কেন এমন স্বপ্ন হয়
এ মনটা কেন বারে বারে ভেঙ্গে যায়।।
আমার স্বপ্নগুলো কেন এমন স্বপ্ন হয়
এ মনটা কেন বারে বারে ভেঙ্গে যায়।।
আমার কবিতাগুলো প্রতিদিন ছন্দ হারায়
তোমার স্মৃতিগুলো প্রতিরাতে আমাকে কাঁদায়
আ হাহাহা হাহাহা লালা লালা……
...
আশার সমাধি ঘিরে সেই
পাখি আজও গান গায়
একাকি হেঁটে চলেছি আমি
হৃদয় মরুর আঙ্গিনায়
এক সুখের বৃষ্টি এসেছিল
ক্ষনে ক্ষনে তাই মনে হয়
আ হাহাহা হাহাহা লালা লালা……
...
কাব্য কবিতার ঘিরে
সত্যি মিথ্যার স্থান পায়
আমার আকাশের সব মেঘগুলো
দুখের বৃষ্টি হয়ে ঝরে যায়
বেদনার দুচোখ জুড়ে ক্লান্তি
সব কিছু অভিনয় মনে হয়।।
আমার…
এ মনটা কেন বারে বারে ভেঙ্গে যায়।।
আমার স্বপ্নগুলো কেন এমন স্বপ্ন হয়
এ মনটা কেন বারে বারে ভেঙ্গে যায়।।
আমার কবিতাগুলো প্রতিদিন ছন্দ হারায়
তোমার স্মৃতিগুলো প্রতিরাতে আমাকে কাঁদায়
আ হাহাহা হাহাহা লালা লালা……
...
আশার সমাধি ঘিরে সেই
পাখি আজও গান গায়
একাকি হেঁটে চলেছি আমি
হৃদয় মরুর আঙ্গিনায়
এক সুখের বৃষ্টি এসেছিল
ক্ষনে ক্ষনে তাই মনে হয়
আ হাহাহা হাহাহা লালা লালা……
...
কাব্য কবিতার ঘিরে
সত্যি মিথ্যার স্থান পায়
আমার আকাশের সব মেঘগুলো
দুখের বৃষ্টি হয়ে ঝরে যায়
বেদনার দুচোখ জুড়ে ক্লান্তি
সব কিছু অভিনয় মনে হয়।।
আমার…
Subscribe to:
Comments (Atom)