Tuesday, November 5, 2019

বৌ এর অত্যাচার


ভোরবেলা স্ত্রীকে জাগিয়ে স্বামী জিজ্ঞেস করলঃ . স্বামীঃ হ্যাঁগো, তুমি কি আমার সাথে যোগ ব্যায়াম করবে?😊 স্ত্রীঃ ও, তুমি আমাকে খুব মোটা ভাবো তাইনা?😠 . স্বামীঃ না..না, ব্যায়াম তো শরীরের জন্য ভালো...😊 . স্ত্রীঃ ও তাহলে আমার শরীর বুঝি খারাপ...😒 . স্বামীঃ না...না! আচ্ছা তুমি যখন উঠতে চাওনা তবে থাক...😊 . স্ত্রীঃ ও, এবার তুমি বলছো আমি কুঁড়ে?😠 . স্বামীঃ ওহো...তুমি আমায় বুঝতে পারছো না!😖 . স্ত্রীঃ ও, আমি তো অবুঝ?😒 . স্বামীঃ আমি তা বলিনি!🐸 . স্ত্রীঃ তাহলে কি আমি মিথ্যুক?😠 . স্বামীঃ সাজ সকালে ঝগড়া কোরো না প্লীজ...🙁 . স্ত্রীঃ হ্যাঁ, আমি তো ঝগড়ুটে। সকাল থেকেই ঝগড়া করি...😒 . স্বামীঃ ঠিক আছে, তাহলে আমিই যাবনা যোগ ব্যায়াম করতে...😐 . স্ত্রীঃ দেখছো, ইচ্ছে তোমার নেই, আমার ওপর দোষ চাপাচ্ছো...😒 . স্বামীঃ ঠিক আছে বাবা ঘুমাও তুমি, আমি একাই চললাম...😑 . স্ত্রীঃ তুমি তো সব সময় একা একাই ঘুরো আর ফুর্তি কর...😒 . স্বামীঃ উফফ, থাক এবার। আমার শরীর খারাপ লাগছে...😖 . স্ত্রীঃ দেখেছো, কি স্বার্থপর তুমি । খালি নিজের চিন্তা করো, আমার শরীর স্বাস্থ্যের কথা কখনো ভাবো? 😒 . স্বামী বেচারা আজ তিনদিন বসে বসে ভাবছে "কোথায় কি ভুল বললাম?" এভাবে বসে আছে দেখে স্ত্রী স্বামীকে জিজ্ঞাসা করেঃ স্ত্রীঃ তিনদিন ধরে দেখছি ঝিম মেরে আছ। কাকে নিয়ে চিন্তা কর? কার রঙ ধরছে মনে? বুঝুন অবস্থা এজন্য আমি বিয়ে করতে চাইনি 😭😭😭

Monday, May 27, 2019

শিক্ষনীয় উপদেশ-

১০ বছরের "মা" মরা এক কিশোর অবহেলা পেতে পেতে একদিন তার দাদুর কাছে প্রশ্ন করল " আচ্ছা দাদু বলতে পারো আমার দাম কত?" দাদু বিস্ময়ে অবাক হয়ে কিছুক্ষণ চুপ থেকে ঘরের মধ্য থেকে কাপড়ে মোড়ানো একটি জিনিসের টুকরা ছেলেটির হাতে দিয়ে বললেন, "এটা বিক্রির উদ্দেশ্য করে ১০ জন লোকের কাছে যাইবা এবং এটার দাম জিগাবা, কিন্তু মনে রাইখো ভুলেও এটা বিক্রি করবা না! " যথারীতি ছেলেটা দাদুর দেয়া জিনিস টি নিয়ে প্রথমে এক লেবু বিক্রেতার কাছে গিয়ে এটার দাম জানতে চাইলো, লেবু বিক্রেতা বলল "এটার দাম ৪ টা লেবু, আমি তোমাকে ৪ টা লেবু দিয়ে এটা কিনতে পারি!" ছেলেটি এবার আলু বিক্রেতার কাছে গেলো, আলু বিক্রেতা বলল "আমি তোমাকে ৫ কেজি আলু দিয়ে এটা কিনতে পারি", ছেলেটি এবার চাউলের দোকানদার এর কাছে গেলো সে বলল "আমি তোমাকে ১ বস্তা চাউল দিয়ে এটা কিনতে পারি"! এবার সে একটা স্বর্ণকারের কাছে গেল, স্বর্ণকার বলল "আমি তোমাকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে এটা কিনতে পারি!" এবার সে ওই এলাকার সবচেয়ে বড় হীরের ব্যবসায়ীর কাছে গেলো! হীরে ব্যবসায়ী জিনিসটা খুব সুন্দর করে বের করে তার টেবিলের উপর রেখে বিভিন্ন এংগেল থেকে ভাল করে দেখে বলল, "শোন বাবা আমি জীবন ভর ব্যবসা করে যা উপার্জন করেছি এমন কি আমার এই দোকান বিক্রি করেও তোমার এই জিনিস টি কেনার ক্ষমতা আমার নাই! আমি এর প্রকৃত মুল্য দিয়ে এটা নিতে পারব না কারণ এটা নেয়ার মত টাকা আমার এখনোও হয় নি! তার চেয়ে বরং তুমি এটা নিয়ে আন্তর্জাতিক কোন দামী ব্যবসায়ীর কাছে যাও! " ছেলেটি অবাক হয়ে জিনিস টি নিয়ে দাদুর হাতে ফেরত দিয়ে বলল "দাদু লেবু ব্যবসায়ী ৪ টা লেবু, আর আলুর ব্যবসায়ী ৫ কেজি আলু, চাউলের ব্যবসায়ী ১ বস্তা চাউল, স্বর্নকার ২০ হাজার টাকা দিয়ে এটা নিতে চেয়েছে কিন্তু প্রকৃত এই জিনিস টি যিনি চেনেন তার কার কাছে তো এটা কেনার টাকা নাই! " দাদু বললেন, "তোমার মূল্যটাও ঠিক তেমনি, বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে যার যার রুচির আর সামর্থ অনুযায়ী তোমার মূল্যটা ঠিক এই রকম! দামী মানুষে তোমাকে দামী মূল্যদিবে আর লেবুর ব্যবসায়ীর মত ক্ষুদ্র মানুষিকতার মানুষ রা তোমাকে ক্ষুদ্র মূল্যায়ন করবে! " শিক্ষাঃ তোমাকে কেউ মূল্যায়ন করল আর নাই করল তুমি মন খারাপ করোনা, সঠিক সময়ে সঠিক মানুষে তোমাকে অবশ্যই মূল্যায়ন করবে! এতটুকু বুঝতে হবে কারা তোমাকে প্রকৃত ভালবাসে আর কারা তোমাকে মুখে ভালবাসা দিয়ে ব্যবহার করে! যারা তোমাকে ব্যবহার করে এদের থেকে তুমি জীবনেও কিছু শিখবেও না, উপকৃতও হবে না! এদের থেকে দূরে থাকায় উত্তম।

Thursday, April 25, 2019

উত্তে’জক ট্যাবলেটের থেকেও বেশি কার্যকর এই ৫টি খাবার উত্তে’জক ট্যাবলেটের থেকেও বেশি কার্যকর এই ৫টি খাবার

নজীবনে উদ্দীপনা আনতে ভায়াগ্রায় সাহায্য নেন অনেকেই। বর্তমান জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে যৌনজীবনে শিথিলতা আসছে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যদি থাকে এমন কিছু খাবার যার মধ্যে রয়েছে জিনসিনোসাইড; তবে আপনার ফিরে আসতে পারে যৌনজীবনের উদ্দীপনা। জেনে নিন এ জাতীয় ৫টি ভেষজ খাবারের কথা:হিং: ন্যাচরাল রেমেডিস ফর গুড হেলথ’বইতে লিখেছেন, যদি টানা ৪০ দিন ধরে রোজ ০.০৬ গ্রাম হিং খাওয়া যায় তাহলে পেতে পারেন সুস্থ যৌনজীবন। রান্নায় মেশাতে পারেন হিং। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস জলে এক চিমটি হিং ফেলে খেলেও পাবেন উপকারিতা।সজনে ডাঁটা: আমেরিকান জার্নাল অফ নিউরোসায়েন্স জানাচ্ছে পুরুষদের লিঙ্গ উত্থানের সমস্যা বা উদ্দীপনার ঘাটতিতে খুব ভাল কাজ করে সজনে ডাঁটা। প্রতিদিনের ডায়েট রাখতে পারেন সজনে ডাঁটা। অথবা এক গ্লাস দুধে সজনে ফুল, নুন ও গোলমরিচ মিশিয়ে প্রতিদিন খেলেও উপকার পাবেন। জিরা: জিরার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম ও জিঙ্ক যৌনাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে বাড়ে যৌন উদ্দীপনা। জানাচ্ছে জার্নাল অফ দ্য সায়েন্স অফ ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার। প্রতিদিন এক কাপ গরম চায়ে জিরা ফেলে খান। যে ৫ খাবার ‘ভেষজ ভায়াগ্রা’ আদা: বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদার উপকারিতার কথা আমাদের সকলেরই জানা। সুস্থ যৌনজীবন বজায় রাখতেও অপরিহার্য্য হতে পারে আদা। আদার মধ্যে থাকা ভোলাটাইল অয়েল স্নায়ুর উত্তেজনা বাড়ায় ও রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা ঠিক রাখে। প্রতিদিন একটি সেদ্ধ ডিমের সঙ্গে আদার রস ও মধু খেতে পারেন। রসুন: আফ্রিকান হেলথ সায়েন্সস জানাচ্ছে আদার মতোই উপকারী রসুন। রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে রসুন। ফলে প্রতিদিনের ডায়েটে যদি রসুন থাকে তবে কমতে পারে লিঙ্গ উত্থানের সমস্যা।

Monday, April 22, 2019

শুধু তোমার জন্য

কতবার যে আমি তোমোকে স্পর্শ করতে গিয়ে গুটিয়ে নিয়েছি হাত-সে কথা ঈশ্বর জানেন। তোমাকে ভালোবাসার কথা বলতে গিয়েও কতবার যে আমি সে কথা বলিনি সে কথা আমার ঈশ্বর জানেন। তোমার হাতের মৃদু কড়ানাড়ার শব্দ শুনে জেগে উঠবার জন্য দরোজার সঙ্গে চুম্বকের মতো আমি গেঁথে রেখেছিলাম আমার কর্ণযুগল; তুমি এসে আমাকে ডেকে বলবেঃ ‘এই ওঠো, আমি, আ…মি…।‘ আর অমি এ-কী শুনলাম এমত উল্লাসে নিজেকে নিক্ষেপ করবো তোমার উদ্দেশ্যে কতবার যে এরকম একটি দৃশ্যের কথা আমি মনে মনে কল্পনা করেছি, সে-কথা আমার ঈশ্বর জানেন। আমার চুল পেকেছে তোমার জন্য, আমার গায়ে জ্বর এসেছে তোমার জন্য, আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য। তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে, আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য

Sunday, April 21, 2019

তুমি ভালো থাকো

তুমি দূরে থাকো ততটুকু দূরে যে দূরত্বে হয়ে যাবে ম্লান তোমার আমার সম্পর্ক । যে দূরত্বে আমার কাল্পনিক হাত, তোমায় আলতো করে ছুঁয়ে দিতে পারে না । থাকো বহুদূরে, যে দূরত্বে আমার বেসুরো গান তোমার কান শুনবে না । থাকো তুমি দূরে, যে দূরত্বে আমার আর্তনাদ তোমার করুণা খুঁজে পায় না । আরো দূরে থাকো, যে দূরত্বে আমার ভালোবাসা তোমায় শিহরিত করবে না । তুমি দূরে থাকো যে দূরত্বে আমার ছায়াও তোমায় মাঁড়াতে হবে না । তুমি ভালো থাকো ততটুকু ভালো, যতটুকু খারাপ থাকতে আমি পারি ।

দোষ

জানি তোমার কিচ্ছু মনে নেই । তোমাকে যেদিন প্রথম দেখেছিলাম , সেদিনই ভালো লেগেছিলো । তুমিও না করনি । বরং বেঁধেছিলে আমায় ভালোবাসার মায়াজালে । আজ তুমি আমার কাছ থেকে অনেক দূরে । একবারো কি জানতে ইচ্ছে করে না, কেমন আছি আমি তুমি বিহনে ? কিভাবে ভুলে গেলে এতো সহজে ? আমি তো ভুলতে পারি না । তুমি পারলে আমি কেনো পারি না ? কেনো পারি না তোমায় একটুকু করতে ঘৃণা ? জানো, তোমায় একটা প্রশ্ন করতে খুব ইচ্ছে করে , কী দোষ ছিলো আমার ? কী দোষ ছিলো আমার ভালোবাসার ?

না বলা কথাগুলি

জীবনের অনেকগুলো সময় পার করে এখানে এসে দাড়িয়েছি । … আজ হঠাত্‍ বুকের ভেতর কী যেনো একটা একটা দুঃখ অনুভব করছি … দুঃখের কারণটা খুঁজেও পাচ্ছি না… হ্যাঁ …বুঝতে পেরেছি … জীবনের বাজে কিছু মুহূর্ত হঠাত্‍ মনে পড়ছে…যেগুলো কখনো কাউকেই শেয়ার করি নি … করতে পারি নি….কারণটা এটাই … সময়টা ঠিক এখন থেকে বছরখানেক আগের ….আমি,…খুবই সাধারণ একটা ছেলে …ভয়ংকর চুপচাপ আর গম্ভীর … আমার জীবনটা ছিলো আরো সাধারণ… পড়ালেখা মোটামুটি করতাম…এলাকার একটা কোচিংয়ে পড়তাম…ভালোই ছিলাম… …….. দিনটা ছিলো জানুয়ারী মাসের একটা দিন … ঘটনার শুরু এখান থেকেই… আমার খারাপ মুহূর্তগুলোর শুরু হয় আর দশটা ছেলের মতোই…হঠাত্‍ একদিন কোচিংয়ে একটি মেয়ে ভর্তি হয় … আমি ওর নাম জানতাম না … জানার কোনো ইচ্ছাও ছিলো না…একদিন দুইদিন করে সময় কাটছিলো … কিন্তু আমার মধ্যে একটা পরিবর্তন আসছিলো সেটা আমি বুঝতেই পারছিলাম না … আমি এখনো জানি না তখন আমার কী হয়েছিলো…হ্যাঁ.. মেয়েটাকে যতই দেখছিলাম ততোই মুগ্ধ হচ্ছিলাম…আমার সব ফ্রেন্ডরাই বলতো আমি মেয়েটাকে লাইক করি…আমিও হয়তোবা বাসতাম.. আমার এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হতো কেনোনা আমি জানতাম না আমি ওর যোগ্য কিনা… কিন্তু আমি ওর দিকে তাকাতাম , ও আমার দিকে তাকাতো… ওকে কিছু বলার মতো সাহস আমার ছিলো না… সারাদিন ভাবতাম…এভাবেই আমার সময় যাচ্ছিলো…ও নিজেও সবই বুঝতে পেরেছিলো…কিন্তু ও কিছুই বলতো না… তারপর আসে ফেব্রুয়ারী ১৪ তারিখ…..ভেবেছিলাম আজই ওকে সব বলবো … বিকেলে কোচিংয়ে গেলাম অনেক আগেই…..কিন্তু ও আসলো অনেক দেরিতে… যা হওয়ার তাই হলো…আমার সাহস হলো না… হৃদয়ের একটা অংশ বলছিলো কিছু না বলে ভালোই করছো…কিন্তু আরেক অংল বলছিলো ঠিক তার উল্টো …. শেষমেষ পরের অংশই জয়লাম করলো… তারপর দিন আমাদের কোচিংয়ের একটা মেয়ে গিয়ে ওকে সব বলে দিলো… ও কিছুটা ভাববার সময়ও নিলো না … সরাসরি না করে দিলো…. কিন্তু কী মনে করে ও আমার আমার বন্ধুর ফেবু আইডি আমার এক বন্ধুর কাছে চাইলো… তারপর … রাতে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট… আমি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না… শুধুই ওকে এক্সেপ্ট করলাম…এরপর ওর আর আমার মধ্যে শুধুই ফ্রেন্ড এর মতো সম্পর্ক হলো…তখন আমি ফেবুতে নতুন…একমাত্র আমিই জানি ওর একটা মেসেজের জন্যে আমি প্রতিদিন কীভাবে অপেক্ষা করতাম… আমার তখন মনে হতো ও আমাকে কিছুটা হলোও ভালোবাসে… কিন্তু না… একদিন ওর এক ফ্রেন্ড আমাকে সরাসরি বলে দিলো আমি ওর যোগ্য নই…কিন্তু কেনো সেটা বললো না…আমি জানতেও চাই নি… আর সহ্য করতে পারলাম না… নিজেক মারাত্নক অপরাধু মনে হতে লাগলো…আমার সেদিনের কষ্টটা কাউকে বুঝানো অসম্ব… তারপর…. একদিন ও আমাকে ব্লক করে দিলো… এখানেই সব শেষ… আমি সেদিন থেকে আর কখনোই ওর সাথে যোগাযোগ করি নি,করতে চাইও নি…. কোচিংয়ে আসাও একদিন বন্ধ করে দিলো… তারপর…. সময় তার নিজের গতিতেই চলতে থাকলো…একদিন ও আমাকে আনব্লক করলো… কিন্তু ততদিনে ওর প্রতি আমার ভালোবাসা তার বিপরীত রুপ পেয়েছে…কিছুই করলাম না… কেনো না ওই দিন থেক আমি ওর কথা মনে না করার প্রতিজ্ঞা করছিলাম… এখন আমি বিশ্বাস করি আমি ওকে ঘৃণা করি…কিন্তু… কিন্তু এখনো ওর চেহারা আমার এই মনে ভেসে থাকে…আমি চাই না…তারপরো… নিজেকে অনেক আগেই বদলে নিয়েছি…এতটুকু বলতে পারি আমি আর তখনকার সেই ছেলেটি নেই…কিন্তু এতকিছুর পরো ওর কথা কেউ আমাকে বললে আমার সেদিনগুলোর কথা মনে পড়ে… আমি ওকে ঘৃণা করি,একথা বলতে আমার কষ্ট হয় না…কিন্তু আমি ওকে ভালোবাসি না , একথা বলতে আমার খুব কষ্ট হয়… আমি আসলে কি চাই ??-এই প্রশ্ন অনেকদিন আমায় তাড়া করে আসছে…কিন্তু এর উত্তর এখনো আমি জানি না…